DMCA.com Protection Status

Join Whatsapp Group

ক্লার্কশিপ পার্ট -।। ফল ওয়েবসাইটে দেওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বাতিল হল

Spread the love
PSC Clerkship Result Canceled after published
PSC Clerkship Result Canceled after published

ক্লার্কশিপ পার্ট -।। ফল ওয়েবসাইটে দেওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ‍্যেই বাতিল হল

পশ্চিমবঙ্গ পাব্লিক সার্ভিস কমিশনের ২০১৯ সালের ক্লার্কশিপ পার্ট -।। পরীক্ষার ফল বেরোনোর ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাতিল বলে ঘোষণা করল পি.এস.সি কর্তৃপক্ষ। ২০১৯ সালের ক্লার্কশিপ পার্ট -।। পরীক্ষার ফল বেরোনোর ২৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১২ টা নাগাদ। ফল বেরোনোর ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ওই তালিকা বাতিল করা হয়। যে তালিকা বের করা হয়, তাতে নাম ছিল ৬,৮৬২ জন প্রার্থীর। টাইপিং টেস্টের জন্য সফল প্রার্থীদের অনলাইনে যাবতীয় প্রমাণপত্র আপলোড করার তারিখও ঘোষিত হয় ওই ওয়েবসাইটে। ফল বেরোনোর পর সোশ‍্যাল মিডিয়ায় অনেক চাকরি প্রার্থী সমালোচনা করে। পরীক্ষার্থীরা পি.এস.সি দফতরে ও পি.এস.সি র চেয়ারম‍্যানকে ফোন করে ই-মেল করে বা  এস.এম.এস করে চূড়ান্ত তালিকায় অসঙ্গতি আছে জানান। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাঁরা খুব ভালো পরীক্ষা দিয়েছেন ও তাঁদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতেও ভালো নম্বর থাকা সত্ত্বেও তাঁদের নাম তালিকায় নেই। অথচ অনেক কম পাওয়া প্রার্থীর নাম তালিকায় আছে। তাই তাঁদের অনুরোধ ছিল, তালিকা ভালো করে দেখা হোক। অনেকের অভিযোগ শূন‍্যপদ অনুযায়ী পুরো ফল বের করা হয়নি।

পশ্চিমবঙ্গ পাব্লিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান দেবাশিস বসু এপ্রসঙ্গে জানান, ‘অনেক প্রার্থীর অভিযোগ আসায় আমরা তড়িঘড়ি কমিশনের অফিসে বৈঠক ডাকি। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই তালিকা বাতিল করা হবে। সেই মতো তালিকা বাতিল করা হয়। ওই তালিকা ভালো করে খতিয়ে দেখে নতুন তালিকা খুব শিগগিরই বের করা হবে’ ।

অনেক প্রার্থীর অভিযোগ, যাঁদের নাম তালিকায় আছে, নতুন তালিকা বেরোনোর পর তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে না তো ? পি.এস.সি কর্তৃপক্ষ এ ব‍্যাপারে কোনো উত্তর দেননি। তালিকায় নাম থাকা এক প্রার্থীর দাবি শূন‍্যপদের সংখ্যা ছিল ৭,২২৭ টি। সেখানে যে তালিকা বের করা হয়েছিল, তাতে নাম আছে ৬,৮৬২ জনের। তাহলে বাকি প্রার্থীদের নাম তালিকায় নেই কেন ? পি.এস.সি সূত্রে খবর, প্রাক্তন সমরকর্মীদের জন্য যা শূন‍্যপদ ছিল, সেগুলি পূরণ হয়নি। কারণ তাঁরা নূন্যতম নম্বর পাননি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পার্ট -।। পরীক্ষায় সফলদের এরপর টাইপিং টেস্ট। এই টাইপিং টেস্টে কোয়ালিফাই নম্বর পেতে হবে। যত শূন‍্যপদ আছে, ততজন প্রার্থীদের টাইপিং টেস্টে ডাকার কথা। কোনো প্রার্থী টাইপিং টেস্টে কোয়ালিফাই নম্বর না পেলে কিংবা কোনো প্রার্থী টাইপিং টেস্টে হাজির না হলে সেই জায়গায় যা শূন‍্যপদ থাকবে তার জন্য দ্বিতীয় তালিকা বেরোনোর কথা।

ক্লার্কশিপ এর এই আচমকা তালিকা বাতিল করার জন্য অনেক চাকরি প্রার্থী ২০১৭ সালের ডব্লু.বি.সি.এস পরীক্ষায় মেধা তালিকায় নম্বর কেলেঙ্কারির জন্য যে জনস্বার্থ মামলা চলেছে, সেই তালিকা পর্যালোচনা করার অনুরোধ জানান।