নীল তিমি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য যা আপনি নিশ্চয়ই জানেন না !

Spread the love
নীল তিমি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য যা আপনি নিশ্চয়ই জানেন না  !

নীল তিমি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য যা আপনি নিশ্চয়ই জানেন না !

মাঝ সমুদ্রে জাহাজ উল্টে দিতে পারে এই স্তন্যপায়ী প্রাণী । পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্তন্যপায়ী প্রাণী এরা । সামুদ্রিক এই প্রাণীটি ৩০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয় । এর ওজোন ১৮০ তন বা তারও বেশি । নীল তিমির একটি জিভই একটা হাতির ওজনের থেকে বেশি হতে পারে । হৃদপিণ্ডের ওজন গাড়ির মত । এরা গভীর জলে শিকার ধরে । কিন্তু শ্বাস নেওয়ার সময়ে উপরে উঠে আসে । এরা একা থাকতে বেশি পছন্দ করে । দল বেঁধে এদের খুব একটা দেখা যায় না । এদের ওজোন বেশি হলেও গতিবেগও বেশি । নীল তিমি তিন বছরে মাত্র একটি বাচার জন্ম দেয় । গর্ভকালীন সময় ১১-১২ মাস । একটি বাচ্চা তিমি দৈনিক ৬০০ লিটার মাতৃদুগ্ধ পান করে ।

বিশালায়তন নীল তিমি সাগরের জলে যখন এঁকেবেঁকে সামনের দিকে চলতে থাকে তখন একবারে এত মাছ খেয়ে ফেলতে পারে যা ২০০ জন মানুষের পক্ষেও খাওয়া সম্ভব নয় । এমনকি গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন থাকা অবস্থায়ও এরা রাশি রাশি মাছ খেতে পারে । । নীল তিমিকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্তন্যপায়ী প্রাণী । এরা সাধারনত ‘ক্রিল’ নামক অতিক্ষুদ্র একধরনের মাছ খেয়ে থাকে । খাবারের খোঁজে যখন এরা জলে দুব দেয় , তখন প্রতিটি ডুবে সময় নেয় ৩ থেকে পনের মিনিট । এরা একসঙ্গে ৮ হাজার ৩০৬ ক্যালোরি থেকে শুরু করে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৮৩৫ ক্যালোরি পর্যন্ত খেতে পারে ।এরা সর্বোচ্চ যে পরিমান খেতে পারে তা দিয়ে ২২৮ জনেরও বেশি মানুষকে প্রতিদিন ২০০০ কিলো ক্যালোরি খাবার খাওয়ানো যেতে পারে । গবেষকরা দেখেছেন তিমিকে কেবল একবার এর শরীর নড়াচড়া করতেই নিঃশেষ করতে হয় ৭৭০ কিলো ক্যালোরি ।

উনিশ শতকের প্রথমে প্রায় সব সসাগর মহাসাগরেই এর দেখা মিলত । চোরা শিকারিদের দাপটে এখন এটি লুপ্তপ্রায় । নীল তিমির তেল সংগ্রহের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ায় বিপুল সংখ্যক তিমি মারা হয় । তবে এখন আইন করে তিমি নিধনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে । সবচেয়ে বেশি নীল তিমির দেখা মেলে অ্যান্টার্কটিক মহাসাগরে । তারপর প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরে ।

আসুন আমরা এই লেখাটি শেয়ার করে সচেতনতা বাড়াই…

Leave a Reply

Your email address will not be published.