নির্ভয়া কাণ্ডে চারজন অভিযুক্তের কিভাবে হল ফাঁসি ?

Spread the love
how to hang nirbhaya culprits
how to hang nirbhaya culprits

নির্ভয়া কাণ্ডে চারজন অভিযুক্তের কিভাবে হল ফাঁসি ?

অবশেষে ফাঁসি হল নির্ভয়া কান্ডের চার দোষীর। দীর্ঘ সাতবছর তিনমাস পর বিচার পেলো নির্ভয়া । আজ ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ কার্যকর হল আদালতের নির্দেশ ।


আক্ষরিক অর্থেই আজকে এক নতুন ভোরের সাক্ষী থাকলো দিল্লির মানুষ তথা ভারতবাসী । তিহার জেলে র সামনে সেই ছবিটায় দেখা গেল । মানুষের মধ্যে যে বাঁধভাঙা উচ্ছাস তা দেখে বলা যায় বিচার শুধু নির্ভয়া পায়নি , বিচার পেল সারা ভারতবর্ষ । ভারতের বিচার ব্যবস্থা যা কার্যত কাঠগড়ায় পৌঁছে গেছিল এই নির্ভয়া কান্ডের জেরে । আজকে ভোর সাড়ে পাঁচটায় তার শুদ্ধিকরণ হয়েছে এই চার অভিযুক্তের ফাঁসির মধ্যে দিয়ে । 


গতকাল রাতভোর ফাঁসি হবে কিনা সেই নিয়ে সুপ্রীম কোর্টে চলে তর্ক বিতর্ক । সুপ্রীম কোর্টে বারবার টানাপোড়েন চলেছে আদৌ এই ফাঁসি হওয়া সম্ভব কিনা ? ভোর সাড়ে তিনটের সময় সুপ্রীম কোর্ট জানিয়ে দেয় ফাঁসি হবে ওই চার অভিযুক্তের এবং ফাঁসি হবে নির্ধারিত সময়েই। অর্থাৎ ভোর সাড়ে পাঁচটায় ।
এবং তারপরেই কিন্তু তিহার জেলের সামনে মানুষের জমায়েত বাড়তে থাকে । মূলত রাত তিনটার পর থেকে দিল্লীর এবং তার পার্শ্ববর্তী সাধারণ মানুষ তিহার জেলের সামনে জমায়েত করতে থাকে । শেষপর্যন্ত পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ হয়ে যায় সারা তিহার জেলে র বাইরের অংশ । ব্যারিকেট দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে হয় মানুষের সমাগম ।


এই গোটা বিষয়টি নিয়ে যে প্রক্রিয়া দেখা গেল তা ভারতের মাটিতে এককথায় নজির বিহীন । কারণে এর আগে কখনোই একসাথে চারজনের ফাঁসি হয়নি ।


ঘড়ির কাঁটায় যখন পাঁচটা বেজে পনেরো মিনিট তখন এই চার অভিযুক্তকে মূল যে সলিটারি সেল সেখান থেকে বের করে আনা হয় । তার আগে নিয়ম মাফিক তাদের স্নান করানো হয় । 


সলিটারী সেল থেকে তাদেরকে বের করে এনে মূল যে ফাঁসির জায়গা অর্থাৎ তিননম্বর জেলে যে ফাঁসির জায়গা সেখানে তাদের নিয়ে আসা হয় । সেখানে দশজনের এক প্রতিনিধি দল আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন । সেখানে তিহার জেলের গার্ড উপস্থিত ছিলেন , ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন , ডাক্তার উপস্থিত ছিলেন । এবং উপস্থিত ছিলেন পবন জল্লাদ


এই পবন জল্লাদই পুরো বিষয়টিকে সম্পন্ন করেন । এবং নিয়মমাফিক লাল খামে মৃত্যু পরোয়ানা দেওয়া হয় । এই মৃত্যু পড়ে শোনান ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলার তিনি চারজন অভিযুক্তকে চিহ্নিত করেন । এবং তারপর পবন জল্লাদ এই ফাঁসি কার্যকর করেন ।


নিয়মমাফিক প্রত্যেকের মুখে কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় ও ভোর সাড়ে পাঁচটায় ফাঁসির যে প্রক্রিয়া টা শেষ হয় ।

TO GET UPDATED ALL NEWS – CLICK HERE

TO KNOW THE NEWS IN ENGLISH – CLICK HERE

সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

Leave a Reply

Your email address will not be published.